মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৪৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
বিএনপির নির্বাচনী সভায় পাপ্পা-আধুনিক বাঁশখালী গড়তে সকলের সহযোগিতা চাই বাঁশখালীতে প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণে জেলা প্রশাসক- আমরা দেশ প্রেমে বাঁচতে চাই দীক্ষাদানে শেষ হবে বাঁশখালীর ঋষিধামের আন্তর্জাতিক ঋষিকুম্ভ ও কুম্ভমেলা বাঁশখালীতে বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন মেধাবৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণ বাঁশখালীর আন্তর্জাতিক ঋষিকুম্ভ ও কুম্ভমেলায় দশমহাবিদ্যা পূজা ও ধর্ম সন্মেলন অনুষ্টিত বাঁশখালীতে আন্তর্জাতিক ঋষিকুম্ভ ও কুম্ভমেলার দ্বিতীয় দিনে বর্ণাঢ্য মহাশোভাযাত্রা বাঁশখালী ঋষিধাম পরিদর্শনে প্রশাসনের কর্মকর্তারা বাঁশখালীতে আন্তর্জাতিক ঋষিকুম্ভ ও কুম্ভমেলা উপলক্ষে প্রশাসনের মতবিনিময় সভা বাঁশখালীতে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী এডভোকেট আরিফুল হক তায়েফ ক্যানসা বাংলাদেশের উদ্যোগে জলবায়ু নীতি ও রাজনীতি সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ

পেট ফোলাভাব কমাতে এড়িয়ে চলবেন যেসব খাবার

সংবাদ দাতা
  • প্রকাশিত : রবিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১৪৪৫ জন পড়েছেন

সুত্র: আজাদী ডেস্ক

পেট ফাঁপা খুবই বিরক্তিকর ও যন্ত্রণাদায়ক। এর পেছনে রয়েছে অনিয়িমিত খাদ্যাভ্যাস ও ভুল জীবনযাত্রা। এছাড়াও, বেশ কিছু খাবার পেট ফোলাভাব সৃষ্টির জন্য দায়ী। পুষ্টি-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে পেট ফোলাভাব এড়াতে যে সকল খাবার বাদ দেওয়া উচিত সে সম্পর্কে জানানো হল। সাধারণত, গ্যাসের কারণে পেটে ফোলাভাব দেখা দেয়। এর ফলে পেট ব্যথা, ফাঁপা বা ঢেকুরের সমস্যা দেখা দেয়। অজীর্ণ খাবার ভাঙ্গনের ফলে বা খাওয়ার সময় বাতাস গ্রহণের ফলে পেট বায়ু জমে ও পেট ফাঁপার সমস্যা দেখা দেয়। পেট ফোলাভাবের অন্যতম কারণ হল অ্যাসিড সৃষ্টি, এছাড়াও অ্যান্টি ডায়াবেটিস আন্টিবায়োটিক ওষুধ সেবনের কারণেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়াও খাদ্যাভ্যাসের বেশ কিছু কারণেও পেট ফোলাভাব দেখা দেয়। কার্বোনেইটেড পানীয়: এতে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাইঅঙাইড থাকে যা পান করার পরে পেটে প্রচুর পরিমাণে গ্যাসের সৃষ্টি করে। এই গ্যাস আবার পেটে আবদ্ধ থেকে হজমে সমস্যা করে। ফলে পেট ব্যথা দেখা দেয়।
ডাল: ডাল প্রোটিন, আঁশ, স্বাস্থ্যকর কার্বোহাইড্রেইট ও খনিজ- লৌহ, কপার এবং ম্যাগ্নেশিয়াম সমৃদ্ধ। এটা উচ্চ আঁশ সমৃদ্ধ হওয়ায় ডাল খেলে অনেকেরই পেট ফাঁপার সমস্যা দেখা দেয়। ক্রুসিফেরাস সবজি: ব্রকলি, বাঁধাকপি, চানা ডাল, ফুলকপি-সহ এই ধরনের সবজি উচ্চ আঁশ, ভিটামিন সি ও কে সমৃদ্ধ। যা শরীরের জন্য উপকারী। তবে এখানে এমন কিছু যৌগ রয়েছে যা পরিপাকতন্ত্র-জনিত রোগের সৃষ্টি করে। ফলে গ্যাস সৃষ্টি হয়।
পেঁয়াজ ও রসুন: পেঁয়াজ প্রায় সব খাবারেই স্বাদ বৃদ্ধি করে। এতে আছে ফ্রুক্টান্স যা পেট ফাঁপার সমস্যা সৃষ্টি করে। রসুন রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে। রসুনের প্রচুল ফ্রুক্টোন থাকায় তা পেটে বাতাসের সৃষ্টি করে পেট ফাঁপার সমস্যা তৈরি করে।
পেটের ফাঁপাভাব দূর করার উপায় খাওয়ার পরপরই ঘুমাতে যাওয়া যাবে না। খাওয়ার পরে কিছুক্ষণ হাঁটাচলা করে খাবার হজম হওয়ার সুযোগ দিতে হবে। -খাবার ধীর গতিতে ও সুষ্ঠুভাবে চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। যা মুখে তৈরি হওয়া লালার সঙ্গে মিশে হজম দ্রুত করতে সহায়তা করে। ফলে খাওয়ার পরে গ্যাসের উৎপাদন নিয়ন্ত্রণে থাকে। -অতিরিক্ত নোনতা খাবার খাওয়া ঠিক নয়। এতে হজম ও পুষ্টি শোষণে প্রভাব রাখে।
-হালকা ও পরিমাণে কম খাবার হজম করা সহজ ও উপকারী।
-হজমক্রিয়া বাড়াতে প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার। যেমন- দই খাওয়া ভালো। এটা হজমে সহায়তা করে। ফলে পেটে ফোলাভাব দেখা দেয় না।
সতর্কতা : পেট ব্যথার সমস্যার পাশাপাশি পেট ফোলার সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সৌজন্যে : বিডিনিউজ

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এই পোর্টালের কোনো লেখা বা ছবি ব্যাবহার দন্ডনীয় অপরাধ