চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ফার্ম স্কুল কার্যক্রম,অভিজ্ঞতা বিনিময় ও পারস্পরিক শিখন সন্মিলন অনুষ্টিত হয় । ১৫ মার্চ (রবিবার) সকাল থেকে দিনব্যাপী বাঁশখালী উপজেলার বাণীগ্রাম সাধনপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জার্মান ফেডারেল ফরেন অফিসের অর্থায়নে এবং সেভ দ্য চিলড্রেনের সহায়তায় ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল অ্যাকশন (ইপসা) বাস্তবায়িত “Child Centred Anticipatory Action for Better Preparedness of Communities and Local Institutions in Northern and Coastal Areas of Bangladesh” প্রকল্পের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শ্যামল চন্দ্র সরকারের
সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঁশখালী উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) মোঃ ওমন সানি আকন,বিশেষ অতিথি ছিলেন সাধনপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কেএম সালাহ উদ্দিন কামাল,বাণীগ্রাম সাধনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক একেএম মঈন উদ্দিন। অনুষ্টানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইপসার প্রজেক্ট ম্যানেজার (অ্যান্টিসিপেটরি অ্যাকশন) সানজিদা আক্তার। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন উন্নয়নকর্মী কল্যাণ বড়ুয়া ।
ইপসার প্রজেক্ট অফিসার মুহাম্মদ আতাউল হাকিম এর সঞ্চালনায় আলোচনা পর্বে বক্তব্য রাখেন সেভ দ্য চিলড্রেনের অফিসার ফারাবী আকাশ,উপজেলা উদ্ভিব সংরক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ কাইছার উদ্দিন,উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা উত্তম কুমার দত্ত, ইপসার প্রজেক্ট অফিসার মাহিনুর আক্তার, ইপসার প্রজেক্ট অফিসার(মনিটরিং) শাহরিয়ার আলম,এবং কৃষি বিষয়ক প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন সহকারী প্রজেক্ট অফিসার মো. বেলায়েত হোসেন প্রমুখ।
অনুষ্টানে কৃষকদের অংশগ্রহনে হাডুডু খেলা, বল নিক্ষেপ, সহ কৃষি উনুক্ত মাঠে হাতে কলমে সেশন পরিচালনা করা হয় ।
“এগ্রোমেট ফরকাস্ট অ্যাপ্লিকেশন ফর রিস্ক অ্যান্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট (FARRM) স্কুল” কার্যক্রম নিয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও পারস্পরিক শিখন সম্মিলনে
কৃষি আবহাওয়া ভিত্তিক ঝুঁকি ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে পরিচালিত ফার্ম স্কুল কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা বিনিময় করা হয়। এতে বাঁশখালীর পুকুরিয়া, সাধনপুর, কালীপুর ও বৈলছড়ি এলাকার সেশনে অংশ নেওয়া ১০০জন এবং ২০জন অগ্রগামী কৃষক সহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি,উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে ফার্ম স্কুলের বিভিন্ন কার্যক্রম, মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা, সফলতা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের উদ্যোগ আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আলোচনা শেষে অংশগ্রহণকারীরা কৃষি খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান
জানান।

Leave a Reply