চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বৈঁলছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল গতকাল অনুষ্ঠিত হয়। বৈলছড়ি হামেদিয়া রহিমা আলীয়া মাদ্রাসার মাঠে বৈঁলছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক মো; ফজলুল কাদেরের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও সাংসদ মরহুম জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর কনিষ্ঠ পুত্র ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক ফরহাদুল ইসলামের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কালিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আমিনুর রহমান চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও ছনুয়া ইউনিযন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রেজাউল হক চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক মুবিনুর রহমান, শীলকূপ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মহসিন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মাস্টার মাকসুদুর রহমান, বৈলছডী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ছৈয়দুল আলম, সরল ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক নুর মোহাম্মদ, বৈলছডি ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব আবুল কালাম, জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আহমদ ছগীর তালুকদার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক প্রকৌশলী সঞ্জয় চক্রবর্তী মানিক, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রাসেল চৌধুরী, কালিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব রবিউল হাসান শাপলা, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক মো. আবদুস সবুর, লিগ্যাল এইড কমিটি বাঁশখালী শাখার সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাহমুদুল ইসলাম, বৈলছডি ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মো.শাহ আলম, যুগ্ম আহবায়ক ডা. আজিজুল হক, নুরুল হক, বিএনপি নেতা মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা যুবদল নেতা জোনাইদ সিকদার, মামুনুর রশীদ, হেলাল উদ্দিন, শ্রমিক দলের নেতা মর্তুজা আলী মন্টু, ইউনুস, যুবদল নেতা নেজাম উদ্দিন, ইলিয়াস, জোবাইদুল ইসলাম সেলিম, আলমগীর সুমন, ইয়াছিন, মহিলা দলের নেত্রী সুমি আকতার, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা রায়হান আহমেদ খোরশেদ, নুর সাকিব, আবদু রহিম, শ্রমিক দলের আবদু রহিম, আবচার, বাঁশখালী ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক তারেক, সহ সভাপতি তানিম, হেলাল, সফিউল আলম প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা বলেন, ‘দেশবিরোধী ষডয়যন্ত্রকারীরা বসে নেই। আমাদের দেশ ও বিএনপিকে নিয়ে যে যড়যন্ত্র চলছে তা ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবেলা করতে হবে। আমি বাঁশখালীর প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়েছি, সবার কথা শুনেছি। আমার পিতা মরহুম জাফরুল ইসলাম চৌধুরী আজীবন বাঁশখালীবাসীর সেবা করে গেছেন। আমি ওনার দেখানো পথে হাঁটতে চাই। জনগণের জন্য কাজ করতে চাই। আগামীতে আপনারা আমার পাশে থাকবেন, আমিও আপনাদের সুখে দুঃখে বিগত দিনের মতো পাশে থাকবো।’