হানা বাড়ির ভূতগুলো থাকে
পুরানো বাড়ি ও প্রসাদে
আলো জ্বালিয়ে বই পড়ে না
গান করে আমোদে ।
মামদো ভূতগুলো থাকে কবর ও শ্মশানে
কংকালের মত হয়ে ভয় দেখাতে জানে।
গেছো ভূতগুলো থাকে তেঁতুল,বট তালগাছে
কুকুর বিড়ালের রূপ ধরে ভয় দেখাতে ভালবাসে।
মেছোভূত পাওয়া যায় নদী ও বিলের ধারে
রাতে মাছ ধরলে মাছ দেয় মাছ দেয় করে।
কান্দা কাটা ভূত গুলো দেখতে মু- হীন
সবচে ভয়ংকর তাই দেখলে হয় প্রাণহীন।
বাঁশবাড়ের ভূতগুলো বাঁশ ফেলে রাখে
বাঁশটাকে ডিঙ্গালে উড়ে পড়ে হাঁকে।
ব্রক্ষ দৈত্য ভূতগুলোর তেঁতুল বেল গাছে থাকে
দিন দুপুরে ও গভীর রাতে চিল মেরে বাঁকে।
আগুন মুখো ভূত গুলো বসে মাঠে গাছের ডালে
মুখ খানা হাঁ করলে দাঁউ দাঁউ আগুন জ্বলে।
পেতনি হলো কুঁচকুচে কালো জাত মেয়ে
শেওড়া গাছের ডালে বসে পা দেয় ঝুঁলিয়ে।
শাঁকাচুন্নি সাদা কাপড় শাঁখা পড়া পেতনী
ছেলে পেলে ধব ধবে সাদা হয়ে ভয় দেখায় তখনি।
কানি পিশাচি ভূত গুলো ছেঁড়া ন্যাকড়া ময়লা ঘাঁটে
নাকি সুরে কথা বলে পা পিছলে হাঁটে।
কানাওয়ালা ভূতগুলো থাকে খোলা মাঠে
পথ ভুলিয়ে যায় লোকে উল্টা পাল্টা হাঁটে।
ছাপা খানার ভূত গুলো ভুল করে লেখা
ভূল হলে মনে কর, পেয়েছ তার দেখা।
