1. kallyanbarua@yahoo.com : kallyan : ajker banshkhali
  2. aygadmin@ajkerbanshkhali.com : :
  3. wpsupp-user@word.com : wp-needuser : wp-needuser
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
বাঁশখালীতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সিমুলেশন ভিত্তিক দু,দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন বাঁশখালীতে শুরু হ‌চ্ছে শেভর‌ণের সেবা‌ কার্যক্রম ১০অ‌ক্টোবর থে‌কে বাঁশখালীতে মিশকাতুল ইসলাম পাপ্পা “হুমকি কিংবা উস্কানিমূলক বক্তব্য দিবেন না” বাঁশখালীতে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদ্বোধনী ও পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন চট্টগ্রাম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফিরোজ আহাম্মদের স্কুল পরিদর্শণ ও সমন্বয় সভায় অংশগ্রহন শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা পৌঁছে যাবে ড. মোহাম্মদ জকরিয়া বাঁশখালী‌তে নজরুল ব‌র্ষের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতার উদ্বোধন করলেন ড.মোহাম্মদ জকরিয়া~ বাঁশখালীতে থানা পুলিশের মাদকবিরোধী র‌্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত বাঁশখালীতে বিএনপি ও অঙ্গসংকটের উদ্যোগে মিছিল ও সমাবেশ

বাঁশখালীতে খান বাহাদুর বদি আহমদ চৌধুরীর স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • প্রকাশিত : রবিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২২
  • ৮৮৩ জন পড়েছেন

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে আমিরুল হজ্ব খানবাহাদুর বদি আহমদ চৌধুরীর ৬০তম স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈলছড়ি নজুমুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান শিক্ষক সন্জিত কুমার বড়–য়া। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বৈলছড়ি হামেদিয়া রহিমা ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জমির উদ্দীন নেছারী। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বৈলছড়ি নজুমুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতার দৌহিত্র বদিউল এহসান চৌধুরী, মুখ্য আলোচক ছিলেন বাঁশখালী গার্লস ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শাহীন আক্তার, শিক্ষক সুমন সুশীলের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন- কমরুল ইসলাম চৌধুরী, মো: জসীম উদ্দীন, আশেকুর রহমান চৌধুরী, ফজলুল কাদের, আবদুর রহিম ছাহাবী, বাবুল কান্তি দে ও রেশমা তাহের প্রমুখ।

এতে বক্তারা বলেন, খানবাহাদুর বদি আহমদ চৌধুরী ছিলেন একজন কৃত্বিমান ব্যক্তিত্ব। তিনি ১৯২৯ সালে ভারতীয় অবিভক্ত বাংলার আইন সভার সদস্য এমএলসি ও ১৯৪৩ সালে এমএলএ এবং বৃটিশ কর্তৃক ১ম ইউনিয়ন বোর্ড গঠন ১৯২২ সাল এবং এ সময় থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত একাধারে ৩০ বৎসর প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। হজ্বব্রত পালনকারী অবিভক্ত বাংলার হাজীগণের নেতৃত্ব দানের জন্য “আমিরুল হজ্ব” উপাধি প্রাপ্তি হন ১৯৩৫ সালে। ১৯৩৬ সালে জনসেবার স্বীকৃতি স্বরূপ অখন্ড ভারতের গভর্ণর জেনারেল কর্তৃক “খান বাহাদুর” উপাধি প্রাপ্ত হন তিনি। এছাড়াও একাধিক সংগঠন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে ছিলেন এ কৃর্তিমান ব্যক্তি।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এই পোর্টালের কোনো লেখা বা ছবি ব্যাবহার দন্ডনীয় অপরাধ
ডিজাইন করেছেন ilmCode Technologies