জাপানের সর্বোচ্চও আইকনিক আগ্নেয়গিরি মাউন্ট ফুজি দেখার সুযোগ হয়েছে। ভোরে টোকিও আরআরকে হেডকোয়ার্টার থেকে বিশেষ গাড়ি করে সেখানে যাওয়া হয়।
দেশ বিদেশ থেকে আগত শত শত পর্যটক এক নজর দেখার জন্য পাশের পাহাড়ে প্রায় ৪শত সিড়ি বেয়ে পাহাড়ে উঠার প্রতিযোগিতায় মত্ত। শিশু কিশোর থেকে বয়স্ক পর্যন্ত সকল লোক জন এটা দেখার জন্য মরিয়া। পাহাড়ের চুড়ায় চুউরেইতো প্যাগোডা যেখান থেকে এ মাউন্ট ফুজি সে বিশাল এলাকা জুড়ে শত শত গাড়ি আর পর্যটক। আমরা বাংলাদেশ থেকে যে কয়জন মাউন্ট ফুজি দেখার জন্য গিয়েছিলাম, সিড়ি দিয়ে উপরে উঠার সময় প্রচন্ড কান্তি লাগলেও সেটার দেখার বাসনা আমাদের টেনে উপরে নিয়ে যায়। তবে জুলাই থেকে অক্টোবর , নভেম্বর মাসে পরিষ্কার আকাশ পর্বতারোহণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময় বলে বিবেচনা করা হয়। না হয় অনেক দুর থেকে এটার স্বাথ নিতে আশে পাশে বরফে আছন্ন থাকাতে মাউন্ট ফুজির
মাউন্ট ফুজি (৩,৭৭৬ মিটার) জাপানের সর্বোচ্চ ও আইকনিক আগ্নেয়গিরি, যা টোকিও থেকে ১০০ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে হনশু দ্বীপে অবস্থিত। ২০১৩ সালে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত এই তুষারাবৃত চুডাাটি জাপানি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতীক। বছরের বেশিরভাগ সময়, বিশেষ করে শরৎ ও শীতে,এখান থেকে মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখা যায়।
মাউন্ট ফুজি দর্শন সম্পর্কে বিস্তারিত:
অবস্থান ও উচ্চতা: এটি মূলত একটি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি, যার উচ্চতা ৩,৭৭৬ মিটার (১২,৩৮৮ ফুট)। এটা ((Shizuoka)এবং Ges Yamanashi প্রিফেকচারের সীমান্তে অবস্থিত।
সেরা সময়: গ্রীষ্মকাল (জুলাই-আগস্ট): পর্বতারোহণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময়।
শরৎকাল (নভেম্বর): পরিষ্কার আকাশ এবং ম্যাপল পাতার ((Momiji) সাথে মনোরম দৃশ্য দেখা যায় ।
শীতকাল: পুরো চূড়ায় বরফে ঢাকা থাকে এবং দূর থেকে সবচেয়ে স্পষ্ট দেখা যায় ।
ফুজি ফাইভ লেকস (Fuji Five Lake): কাওয়াগুচিকো (Kawaguchiko) লেক থেকে মাউন্ট ফুজির সবচেয়ে সুন্দর প্রতিচ্ছবি দেখা যায়। চুউরেইতো প্যাগোডা (Chureito Pagoda): প্যাগোডা, চেরি ব্লসম/ম্যাপল পাতা এবং ফুজি পর্বতের কাসিক ছবি তোলার জন্য বিখ্যাত ।
হাকোনে (Hakone): গরম পানির কু- (Onsen) এবং লেক থেকে ফুজি দেখার জনপ্রিয় স্থান শিনজুুকু থেকে সরাসরি বাস বা ট্রেন: টোকিও থেকে প্রায় ২-২.৫ ঘণ্টায় পৌঁছানো যায়। মেঘমুক্ত আকাশ পেতে ভোরে বা শীতের সকালে দর্শন করা ভালো। পাহাড়ের চূডার জন্য উপযুক্ত প্রস্তুতি ও পোশাক প্রয়োজন। যারা মাউন্ট ফুজি দেখার জন্য জাপানে আসবেন তারা উপরের তথ্য গুলো অনুসরন করে আসতে পারেন।
পরিশেষে বলতে চাই জাপান যারা ভিজিটে যাবেন তারা অবশ্যই জাপানের সর্বোচ্চও আইকনিক আগ্নেয়গিরি মাউন্ট ফুজি দেখে আসবেন।
