1. kallyanbarua@yahoo.com : kallyan : ajker banshkhali
  2. aygadmin@ajkerbanshkhali.com : :
  3. wpsupp-user@word.com : wp-needuser : wp-needuser
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ১২:৩৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
ইপসা’র কার্যক্রম পরিদর্শনে এনজিও ব্যুরো’র মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ জকরিয়া জাপানের মিনোবুসান কুওনজি মন্দির জাপানের টোকিওর হৃদয়ে সবুজের রাজ্য মেইজি জিঙ্গু পরিদর্শন বাঁশখালীতে ফারিয়ার মানববন্ধন, পেশাগত মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবি Senso-ji Temple : টোকিওর প্রাণকেন্দ্রে ইতিহাস ও আধুনিকতার অনন্য মিলন Nikko Toshogu Shrine : ইতিহাস, প্রকৃতি ও ঐতিহ্যের এক অনন্য মিলনস্থল মাউন্ট ফুজি জাপানের সর্বোচ্চ ও আইকনিক আগ্নেয়গিরি কাছ থেকে দেখা রবিরশ্মির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে “প্রেমে ধন্য কর” রবীন্দ্রসঙ্গীত সন্ধ্যা ও আলোচনা সভা বাঁশখালী‌তে ফার্ম স্কুল কার্যক্রম,অ‌ভিজ্ঞতা বি‌নিময় ও পারস্প‌রিক শিখন স‌ন্মিলন অনু‌ষ্টিত বাঁশখালীতে ইপসার বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের দুর্যোগ পূর্বপ্রস্তত্তি বিষয়ক কর্মশালা সম্পন্ন

বাঁশখালীতে খান বাহাদুর বদি আহমদ চৌধুরীর স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • প্রকাশিত : রবিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২২
  • ৭১৬ জন পড়েছেন

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে আমিরুল হজ্ব খানবাহাদুর বদি আহমদ চৌধুরীর ৬০তম স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈলছড়ি নজুমুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান শিক্ষক সন্জিত কুমার বড়–য়া। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বৈলছড়ি হামেদিয়া রহিমা ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জমির উদ্দীন নেছারী। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বৈলছড়ি নজুমুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতার দৌহিত্র বদিউল এহসান চৌধুরী, মুখ্য আলোচক ছিলেন বাঁশখালী গার্লস ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শাহীন আক্তার, শিক্ষক সুমন সুশীলের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন- কমরুল ইসলাম চৌধুরী, মো: জসীম উদ্দীন, আশেকুর রহমান চৌধুরী, ফজলুল কাদের, আবদুর রহিম ছাহাবী, বাবুল কান্তি দে ও রেশমা তাহের প্রমুখ।

এতে বক্তারা বলেন, খানবাহাদুর বদি আহমদ চৌধুরী ছিলেন একজন কৃত্বিমান ব্যক্তিত্ব। তিনি ১৯২৯ সালে ভারতীয় অবিভক্ত বাংলার আইন সভার সদস্য এমএলসি ও ১৯৪৩ সালে এমএলএ এবং বৃটিশ কর্তৃক ১ম ইউনিয়ন বোর্ড গঠন ১৯২২ সাল এবং এ সময় থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত একাধারে ৩০ বৎসর প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। হজ্বব্রত পালনকারী অবিভক্ত বাংলার হাজীগণের নেতৃত্ব দানের জন্য “আমিরুল হজ্ব” উপাধি প্রাপ্তি হন ১৯৩৫ সালে। ১৯৩৬ সালে জনসেবার স্বীকৃতি স্বরূপ অখন্ড ভারতের গভর্ণর জেনারেল কর্তৃক “খান বাহাদুর” উপাধি প্রাপ্ত হন তিনি। এছাড়াও একাধিক সংগঠন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে ছিলেন এ কৃর্তিমান ব্যক্তি।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এই পোর্টালের কোনো লেখা বা ছবি ব্যাবহার দন্ডনীয় অপরাধ
ডিজাইন করেছেন ilmCode Technologies