1. kallyanbarua@yahoo.com : kallyan : ajker banshkhali
  2. aygadmin@ajkerbanshkhali.com : :
  3. wpsupp-user@word.com : wp-needuser : wp-needuser
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
বাঁশখালী কেন্দ্রীয় শ্রী শ্রী অদ্বৈতানন্দ ঋষিমঠ ও মিশনের পক্ষ ত্রাণ বিতরণ বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে চতুষ্কোণ এর ঢেউটিন খাদ্য সহায়তা প্রদান বাঁশখালীতে বন্যা-পরবর্তী পানি নিষ্কাশন সচল রাখতে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান বাঁশখালীতে আঞ্জুমানে আশরাফিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান বাঁশখালী‌েতে চি‌কিৎসা ক‌্যাম্পে চি‌কিৎসা সেবা ও ঔষধ ‌পেল ৩ শতা‌ধিক বন‌্যা কব‌লিত জনগন বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন সামগ্রী বিতরণ ‘মঞ্জিল সংস্থা’র পাহাড়ধস ঝুঁকি মোকাবিলায় ১০০ পরিবারকে সেভ দ্য চিলড্রেন ও ইপসার আর্থিক সহায়তা বাঁশখালীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস’ উদযাপিত ইপসার কার্যক্রম পরিদর্শনে এনজিও বিষয়ক ব‍্যুরোর মহাপরিচালক ড: জকরিয়া বাঁশখালী গার্লস ডিগ্রি কলেজে বিদায় সংবর্ধনায় এন‌জিও ব্যুরোর মহাপ‌রিচালক ড.জক‌রিয়া

বাঁশখালীতে খান বাহাদুর বদি আহমদ চৌধুরীর স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • প্রকাশিত : রবিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২২
  • ৭৮২ জন পড়েছেন

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে আমিরুল হজ্ব খানবাহাদুর বদি আহমদ চৌধুরীর ৬০তম স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈলছড়ি নজুমুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান শিক্ষক সন্জিত কুমার বড়–য়া। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বৈলছড়ি হামেদিয়া রহিমা ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জমির উদ্দীন নেছারী। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বৈলছড়ি নজুমুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতার দৌহিত্র বদিউল এহসান চৌধুরী, মুখ্য আলোচক ছিলেন বাঁশখালী গার্লস ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শাহীন আক্তার, শিক্ষক সুমন সুশীলের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন- কমরুল ইসলাম চৌধুরী, মো: জসীম উদ্দীন, আশেকুর রহমান চৌধুরী, ফজলুল কাদের, আবদুর রহিম ছাহাবী, বাবুল কান্তি দে ও রেশমা তাহের প্রমুখ।

এতে বক্তারা বলেন, খানবাহাদুর বদি আহমদ চৌধুরী ছিলেন একজন কৃত্বিমান ব্যক্তিত্ব। তিনি ১৯২৯ সালে ভারতীয় অবিভক্ত বাংলার আইন সভার সদস্য এমএলসি ও ১৯৪৩ সালে এমএলএ এবং বৃটিশ কর্তৃক ১ম ইউনিয়ন বোর্ড গঠন ১৯২২ সাল এবং এ সময় থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত একাধারে ৩০ বৎসর প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। হজ্বব্রত পালনকারী অবিভক্ত বাংলার হাজীগণের নেতৃত্ব দানের জন্য “আমিরুল হজ্ব” উপাধি প্রাপ্তি হন ১৯৩৫ সালে। ১৯৩৬ সালে জনসেবার স্বীকৃতি স্বরূপ অখন্ড ভারতের গভর্ণর জেনারেল কর্তৃক “খান বাহাদুর” উপাধি প্রাপ্ত হন তিনি। এছাড়াও একাধিক সংগঠন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে ছিলেন এ কৃর্তিমান ব্যক্তি।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এই পোর্টালের কোনো লেখা বা ছবি ব্যাবহার দন্ডনীয় অপরাধ
ডিজাইন করেছেন ilmCode Technologies