1. kallyanbarua@yahoo.com : kallyan : ajker banshkhali
  2. aygadmin@ajkerbanshkhali.com : :
  3. wpsupp-user@word.com : wp-needuser : wp-needuser
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
বাঁশখালী কেন্দ্রীয় শ্রী শ্রী অদ্বৈতানন্দ ঋষিমঠ ও মিশনের পক্ষ ত্রাণ বিতরণ বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে চতুষ্কোণ এর ঢেউটিন খাদ্য সহায়তা প্রদান বাঁশখালীতে বন্যা-পরবর্তী পানি নিষ্কাশন সচল রাখতে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান বাঁশখালীতে আঞ্জুমানে আশরাফিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান বাঁশখালী‌েতে চি‌কিৎসা ক‌্যাম্পে চি‌কিৎসা সেবা ও ঔষধ ‌পেল ৩ শতা‌ধিক বন‌্যা কব‌লিত জনগন বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন সামগ্রী বিতরণ ‘মঞ্জিল সংস্থা’র পাহাড়ধস ঝুঁকি মোকাবিলায় ১০০ পরিবারকে সেভ দ্য চিলড্রেন ও ইপসার আর্থিক সহায়তা বাঁশখালীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস’ উদযাপিত ইপসার কার্যক্রম পরিদর্শনে এনজিও বিষয়ক ব‍্যুরোর মহাপরিচালক ড: জকরিয়া বাঁশখালী গার্লস ডিগ্রি কলেজে বিদায় সংবর্ধনায় এন‌জিও ব্যুরোর মহাপ‌রিচালক ড.জক‌রিয়া

Nikko Toshogu Shrine : ইতিহাস, প্রকৃতি ও ঐতিহ্যের এক অনন্য মিলনস্থল

কল্যাণ বড়ুয়া,জাপান থেকে ফিরে
  • প্রকাশিত : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
  • ৩৬৪ জন পড়েছেন

জাপানের পাহাড়ঘেরা শান্ত শহর নিক্কো যেন প্রকৃতির বুকে আঁকা এক জীবন্ত শিল্পকর্ম। আর সেই নিক্কোর হৃদয়ে দাঁড়িয়ে আছে শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্যের প্রতীক Nikko Toshogu Shrine। বৃষ্টিভেজা পরিবেশ, সুউচ্চ দেবদারু গাছ আর সোনালি অলংকরণে সাজানো এই মন্দির এলাকা পর্যটকদের কাছে এক মোহনীয় অভিজ্ঞতা এনে দেয়।
বাংলাদেশ থেকে যাওয়া টিমের সাথে যখন আমরা এ এলাকা দেখতে যাই, তখন শত শত দর্শনার্থীদের ভিডে আমরা হারিয়ে যাই সে দুচিন্তায় ছিলাম।তবে তবে আমাদের টিমে থাকা সবাইকে সতক করা হয়।
জাপানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় স্থাপনা হিসেবে পরিচিত এই তোষোগু শ্রাইন নির্মিত হয় সপ্তদশ শতকে। এটি জাপানের বিখ্যাত শোগুন Tokugawa Ieyasu-এর স্মৃতির উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত। মন্দিরটির প্রতিটি অংশে রয়েছে নিখুঁত কারুকাজ, কাঠের সূক্ষ্ম খোদাই ও সোনালি অলংকরণের অসাধারণ সমন্বয়। বিশেষ করে মন্দিরের প্রবেশদ্বার ও মূল ভবনের ছাদের নকশা দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে।
বৃষ্টির দিনে পাথরের পথজুড়ে ছাতার রঙিন উপস্থিতি পুরো এলাকাকে আরও নান্দনিক করে তোলে। প্রকৃতি আর স্থাপত্য যেন এখানে একে অপরের পরিপূরক। নিক্কো এলাকার আরেকটি বিশেষ দিক হলো এর নীরবতা ও আধ্যাত্মিক আবহ। শহরের কোলাহল থেকে দূরে এই পরিবেশে এসে অনেক পর্যটক মানসিক প্রশান্তি অনুভব করেন। চারপাশের ঘন বন, পাহাড়ি আবহাওয়া ও ঐতিহ্যবাহী জাপানি সংস্কৃতির ছোঁয়া ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য এক স্মরণীয় অভিজ্ঞতা তৈরি করে।
বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে স্বীকৃত এই মন্দির কমপ্লেক্স প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে হাজার হাজার পর্যটককে আকর্ষণ করে। জাপানের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও স্থাপত্যশৈলীকে কাছ থেকে জানতে চাইলে নিক্কোর এই ঐতিহাসিক স্থান হতে পারে এক অনন্য গন্তব্য।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এই পোর্টালের কোনো লেখা বা ছবি ব্যাবহার দন্ডনীয় অপরাধ
ডিজাইন করেছেন ilmCode Technologies