1. kallyanbarua@yahoo.com : kallyan : ajker banshkhali
  2. aygadmin@ajkerbanshkhali.com : :
  3. wpsupp-user@word.com : wp-needuser : wp-needuser
রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০৬:১৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
Nikko Toshogu Shrine : ইতিহাস, প্রকৃতি ও ঐতিহ্যের এক অনন্য মিলনস্থল মাউন্ট ফুজি জাপানের সর্বোচ্চ ও আইকনিক আগ্নেয়গিরি কাছ থেকে দেখা রবিরশ্মির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে “প্রেমে ধন্য কর” রবীন্দ্রসঙ্গীত সন্ধ্যা ও আলোচনা সভা বাঁশখালী‌তে ফার্ম স্কুল কার্যক্রম,অ‌ভিজ্ঞতা বি‌নিময় ও পারস্প‌রিক শিখন স‌ন্মিলন অনু‌ষ্টিত বাঁশখালীতে ইপসার বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের দুর্যোগ পূর্বপ্রস্তত্তি বিষয়ক কর্মশালা সম্পন্ন বাঁশখালীতে সমাজকর্মী উপেন্দ্র লাল বড়ুয়ার স্মরণে সংঘদান সম্পন্ন বাঁশখালীর প্রয়াত উপেন্দ্র লাল বড়ুয়ার অনিত্য সভা সম্পন্ন বাঁশখালীতে ইপসার উদ্যেগে কমিউনিটি স্বেচ্ছাসেবকদের ৩দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ উদ্বোধন বিএনপির নির্বাচনী সভায় পাপ্পা-আধুনিক বাঁশখালী গড়তে সকলের সহযোগিতা চাই বাঁশখালীতে প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণে জেলা প্রশাসক- আমরা দেশ প্রেমে বাঁচতে চাই

Nikko Toshogu Shrine : ইতিহাস, প্রকৃতি ও ঐতিহ্যের এক অনন্য মিলনস্থল

কল্যাণ বড়ুয়া,জাপান থেকে ফিরে
  • প্রকাশিত : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
  • ৩৯ জন পড়েছেন

জাপানের পাহাড়ঘেরা শান্ত শহর নিক্কো যেন প্রকৃতির বুকে আঁকা এক জীবন্ত শিল্পকর্ম। আর সেই নিক্কোর হৃদয়ে দাঁড়িয়ে আছে শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্যের প্রতীক Nikko Toshogu Shrine। বৃষ্টিভেজা পরিবেশ, সুউচ্চ দেবদারু গাছ আর সোনালি অলংকরণে সাজানো এই মন্দির এলাকা পর্যটকদের কাছে এক মোহনীয় অভিজ্ঞতা এনে দেয়।
বাংলাদেশ থেকে যাওয়া টিমের সাথে যখন আমরা এ এলাকা দেখতে যাই, তখন শত শত দর্শনার্থীদের ভিডে আমরা হারিয়ে যাই সে দুচিন্তায় ছিলাম।তবে তবে আমাদের টিমে থাকা সবাইকে সতক করা হয়।
জাপানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় স্থাপনা হিসেবে পরিচিত এই তোষোগু শ্রাইন নির্মিত হয় সপ্তদশ শতকে। এটি জাপানের বিখ্যাত শোগুন Tokugawa Ieyasu-এর স্মৃতির উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত। মন্দিরটির প্রতিটি অংশে রয়েছে নিখুঁত কারুকাজ, কাঠের সূক্ষ্ম খোদাই ও সোনালি অলংকরণের অসাধারণ সমন্বয়। বিশেষ করে মন্দিরের প্রবেশদ্বার ও মূল ভবনের ছাদের নকশা দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে।
বৃষ্টির দিনে পাথরের পথজুড়ে ছাতার রঙিন উপস্থিতি পুরো এলাকাকে আরও নান্দনিক করে তোলে। প্রকৃতি আর স্থাপত্য যেন এখানে একে অপরের পরিপূরক। নিক্কো এলাকার আরেকটি বিশেষ দিক হলো এর নীরবতা ও আধ্যাত্মিক আবহ। শহরের কোলাহল থেকে দূরে এই পরিবেশে এসে অনেক পর্যটক মানসিক প্রশান্তি অনুভব করেন। চারপাশের ঘন বন, পাহাড়ি আবহাওয়া ও ঐতিহ্যবাহী জাপানি সংস্কৃতির ছোঁয়া ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য এক স্মরণীয় অভিজ্ঞতা তৈরি করে।
বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে স্বীকৃত এই মন্দির কমপ্লেক্স প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে হাজার হাজার পর্যটককে আকর্ষণ করে। জাপানের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও স্থাপত্যশৈলীকে কাছ থেকে জানতে চাইলে নিক্কোর এই ঐতিহাসিক স্থান হতে পারে এক অনন্য গন্তব্য।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এই পোর্টালের কোনো লেখা বা ছবি ব্যাবহার দন্ডনীয় অপরাধ
ডিজাইন করেছেন ilmCode Technologies