1. kallyanbarua@yahoo.com : kallyan : ajker banshkhali
  2. aygadmin@ajkerbanshkhali.com : :
  3. wpsupp-user@word.com : wp-needuser : wp-needuser
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৯:২০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
বাঁশখালী পৌরসভা উ‌দ্যো‌গে বৃক্ষরোপন কর্মসুচীর উদ্বোধন বাঁশখালী‌তে পু‌লি‌শের বি‌শেষ অ‌ভিযানে ১জন আসামী গ্রেফতার যানজট নিরসনে বাঁশখালীতে প্রশাসনের অভিযান,জ‌রিমানা আদায় বাঁশখালীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের মাসিক সমন্বয় সভা অনু‌ষ্ঠিত “তরুণ জাগলে দেশ জাগে — জাগরণ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত” ইপসার ‘রেইজ’ প্রকল্পের জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত সেইভ দ্যা চিলড্রেনের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টরের ইপসা’র কার্যক্রম পরিদর্শন বাঁশখালী গোল্ড মেডেল মেধাবৃত্তির পুরস্কার বিতরণ জেলায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করলেন বাঁশখালীর মডেল সরকারি ও প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বাঁশখালী‌তে ইসলামী স্বপ্ন বাস্তবায়ন সংস্থার ১৬ বছর পূর্তি, স্মৃতি পাঠাগার উদ্বোধন ও ঈদ পূর্ণ মিলনী

Nikko Toshogu Shrine : ইতিহাস, প্রকৃতি ও ঐতিহ্যের এক অনন্য মিলনস্থল

কল্যাণ বড়ুয়া,জাপান থেকে ফিরে
  • প্রকাশিত : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
  • ২৩১ জন পড়েছেন

জাপানের পাহাড়ঘেরা শান্ত শহর নিক্কো যেন প্রকৃতির বুকে আঁকা এক জীবন্ত শিল্পকর্ম। আর সেই নিক্কোর হৃদয়ে দাঁড়িয়ে আছে শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্যের প্রতীক Nikko Toshogu Shrine। বৃষ্টিভেজা পরিবেশ, সুউচ্চ দেবদারু গাছ আর সোনালি অলংকরণে সাজানো এই মন্দির এলাকা পর্যটকদের কাছে এক মোহনীয় অভিজ্ঞতা এনে দেয়।
বাংলাদেশ থেকে যাওয়া টিমের সাথে যখন আমরা এ এলাকা দেখতে যাই, তখন শত শত দর্শনার্থীদের ভিডে আমরা হারিয়ে যাই সে দুচিন্তায় ছিলাম।তবে তবে আমাদের টিমে থাকা সবাইকে সতক করা হয়।
জাপানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় স্থাপনা হিসেবে পরিচিত এই তোষোগু শ্রাইন নির্মিত হয় সপ্তদশ শতকে। এটি জাপানের বিখ্যাত শোগুন Tokugawa Ieyasu-এর স্মৃতির উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত। মন্দিরটির প্রতিটি অংশে রয়েছে নিখুঁত কারুকাজ, কাঠের সূক্ষ্ম খোদাই ও সোনালি অলংকরণের অসাধারণ সমন্বয়। বিশেষ করে মন্দিরের প্রবেশদ্বার ও মূল ভবনের ছাদের নকশা দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে।
বৃষ্টির দিনে পাথরের পথজুড়ে ছাতার রঙিন উপস্থিতি পুরো এলাকাকে আরও নান্দনিক করে তোলে। প্রকৃতি আর স্থাপত্য যেন এখানে একে অপরের পরিপূরক। নিক্কো এলাকার আরেকটি বিশেষ দিক হলো এর নীরবতা ও আধ্যাত্মিক আবহ। শহরের কোলাহল থেকে দূরে এই পরিবেশে এসে অনেক পর্যটক মানসিক প্রশান্তি অনুভব করেন। চারপাশের ঘন বন, পাহাড়ি আবহাওয়া ও ঐতিহ্যবাহী জাপানি সংস্কৃতির ছোঁয়া ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য এক স্মরণীয় অভিজ্ঞতা তৈরি করে।
বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে স্বীকৃত এই মন্দির কমপ্লেক্স প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে হাজার হাজার পর্যটককে আকর্ষণ করে। জাপানের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও স্থাপত্যশৈলীকে কাছ থেকে জানতে চাইলে নিক্কোর এই ঐতিহাসিক স্থান হতে পারে এক অনন্য গন্তব্য।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এই পোর্টালের কোনো লেখা বা ছবি ব্যাবহার দন্ডনীয় অপরাধ
ডিজাইন করেছেন ilmCode Technologies