1. kallyanbarua@yahoo.com : kallyan : ajker banshkhali
  2. aygadmin@ajkerbanshkhali.com : :
  3. wpsupp-user@word.com : wp-needuser : wp-needuser
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
বাঁশখালীতে মিশকাতুল ইসলাম পাপ্পা “হুমকি কিংবা উস্কানিমূলক বক্তব্য দিবেন না” বাঁশখালীতে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদ্বোধনী ও পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন চট্টগ্রাম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফিরোজ আহাম্মদের স্কুল পরিদর্শণ ও সমন্বয় সভায় অংশগ্রহন শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা পৌঁছে যাবে ড. মোহাম্মদ জকরিয়া বাঁশখালী‌তে নজরুল ব‌র্ষের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতার উদ্বোধন করলেন ড.মোহাম্মদ জকরিয়া~ বাঁশখালীতে থানা পুলিশের মাদকবিরোধী র‌্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত বাঁশখালীতে বিএনপি ও অঙ্গসংকটের উদ্যোগে মিছিল ও সমাবেশ বাঁশখালীতে এসএসসি ও দাখিল সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা বাঁশখালী‌তে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহে সাগ‌রে নিহত জে‌লে‌দের পর্যাপ্ত ক্ষ‌তিপূরণসহ নিরাপত্তা দাবী

Senso-ji Temple : টোকিওর প্রাণকেন্দ্রে ইতিহাস ও আধুনিকতার অনন্য মিলন

কল্যাণ বড়ুয়া,জাপান থেকে ফিরে
  • প্রকাশিত : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
  • ৫১৬ জন পড়েছেন

জাপানের রাজধানী টোকিওর ব্যস্ত নগরজীবনের মাঝেও ইতিহাস ও ঐতিহ্যের এক উজ্জ্বল নিদর্শন হয়ে দাঁড়িয়ে আছে Senso-ji Temple। টোকিওর আসাকুসা এলাকায় অবস্থিত এই প্রাচীন বৌদ্ধ মন্দির জাপানের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র এবং আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক।
প্রতিদিন হাজার হাজার দেশি-বিদেশি পর্যটকের পদচারণায় মুখর থাকে সেনসো-জি মন্দির প্রাঙ্গণ। লাল রঙের বিশাল স্থাপত্য, ঐতিহ্যবাহী জাপানি নকশা এবং শান্ত পরিবেশ পর্যটকদের মুগ্ধ করে। মন্দিরটির সামনে দাঁড়িয়ে দূরে দেখা যায় জাপানের আধুনিক স্থাপত্য বিস্ময় Tokyo Skytree, যা পুরাতন ও নতুন টোকিওর এক চমৎকার সমন্বয় তুলে ধরে।
ধারণা করা হয়, সপ্তম শতকে প্রতিষ্ঠিত এই মন্দিরটি টোকিওর সবচেয়ে পুরোনো বৌদ্ধ মন্দির। স্থানীয় কিংবদন্তি অনুযায়ী, দুই জেলে সুমিদা নদী থেকে করুণাময়ী দেবী কাননের একটি মূর্তি খুঁজে পাওয়ার পর এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করা হয়। সেই থেকে এটি জাপানের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে আছে।
মন্দিরে প্রবেশের আগে বিখ্যাত “কামিনারিমন” বা বজ্রদ্বার দর্শনার্থীদের স্বাগত জানায়। বিশাল লাল লণ্ঠনটি পর্যটকদের জন্য অন্যতম আকর্ষণ। এর পাশেই রয়েছে “নাকামিসে” শপিং স্ট্রিট, যেখানে ঐতিহ্যবাহী জাপানি খাবার, স্মারক ও হস্তশিল্প পাওয়া যায়।
দিনের আলোয় মন্দিরের সৌন্দর্য যেমন মন কাড়ে, তেমনি সন্ধ্যার আলোকসজ্জায় পুরো এলাকা হয়ে ওঠে আরও মোহনীয়। ধর্মীয় গুরুত্বের পাশাপাশি এটি জাপানি সংস্কৃতি, ইতিহাস ও পর্যটনের এক জীবন্ত কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
যারা জাপানের ঐতিহ্য ও আধুনিক নগরজীবনের সমন্বিত রূপ দেখতে চান, তাদের জন্য সেনসো-জি মন্দির হতে পারে এক অনন্য অভিজ্ঞতার ঠিকানা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এই পোর্টালের কোনো লেখা বা ছবি ব্যাবহার দন্ডনীয় অপরাধ
ডিজাইন করেছেন ilmCode Technologies