1. kallyanbarua@yahoo.com : kallyan : ajker banshkhali
  2. aygadmin@ajkerbanshkhali.com : :
  3. wpsupp-user@word.com : wp-needuser : wp-needuser
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
বাঁশখালী কেন্দ্রীয় শ্রী শ্রী অদ্বৈতানন্দ ঋষিমঠ ও মিশনের পক্ষ ত্রাণ বিতরণ বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে চতুষ্কোণ এর ঢেউটিন খাদ্য সহায়তা প্রদান বাঁশখালীতে বন্যা-পরবর্তী পানি নিষ্কাশন সচল রাখতে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান বাঁশখালীতে আঞ্জুমানে আশরাফিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান বাঁশখালী‌েতে চি‌কিৎসা ক‌্যাম্পে চি‌কিৎসা সেবা ও ঔষধ ‌পেল ৩ শতা‌ধিক বন‌্যা কব‌লিত জনগন বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন সামগ্রী বিতরণ ‘মঞ্জিল সংস্থা’র পাহাড়ধস ঝুঁকি মোকাবিলায় ১০০ পরিবারকে সেভ দ্য চিলড্রেন ও ইপসার আর্থিক সহায়তা বাঁশখালীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস’ উদযাপিত ইপসার কার্যক্রম পরিদর্শনে এনজিও বিষয়ক ব‍্যুরোর মহাপরিচালক ড: জকরিয়া বাঁশখালী গার্লস ডিগ্রি কলেজে বিদায় সংবর্ধনায় এন‌জিও ব্যুরোর মহাপ‌রিচালক ড.জক‌রিয়া

Senso-ji Temple : টোকিওর প্রাণকেন্দ্রে ইতিহাস ও আধুনিকতার অনন্য মিলন

কল্যাণ বড়ুয়া,জাপান থেকে ফিরে
  • প্রকাশিত : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
  • ৩৬০ জন পড়েছেন

জাপানের রাজধানী টোকিওর ব্যস্ত নগরজীবনের মাঝেও ইতিহাস ও ঐতিহ্যের এক উজ্জ্বল নিদর্শন হয়ে দাঁড়িয়ে আছে Senso-ji Temple। টোকিওর আসাকুসা এলাকায় অবস্থিত এই প্রাচীন বৌদ্ধ মন্দির জাপানের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র এবং আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক।
প্রতিদিন হাজার হাজার দেশি-বিদেশি পর্যটকের পদচারণায় মুখর থাকে সেনসো-জি মন্দির প্রাঙ্গণ। লাল রঙের বিশাল স্থাপত্য, ঐতিহ্যবাহী জাপানি নকশা এবং শান্ত পরিবেশ পর্যটকদের মুগ্ধ করে। মন্দিরটির সামনে দাঁড়িয়ে দূরে দেখা যায় জাপানের আধুনিক স্থাপত্য বিস্ময় Tokyo Skytree, যা পুরাতন ও নতুন টোকিওর এক চমৎকার সমন্বয় তুলে ধরে।
ধারণা করা হয়, সপ্তম শতকে প্রতিষ্ঠিত এই মন্দিরটি টোকিওর সবচেয়ে পুরোনো বৌদ্ধ মন্দির। স্থানীয় কিংবদন্তি অনুযায়ী, দুই জেলে সুমিদা নদী থেকে করুণাময়ী দেবী কাননের একটি মূর্তি খুঁজে পাওয়ার পর এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করা হয়। সেই থেকে এটি জাপানের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে আছে।
মন্দিরে প্রবেশের আগে বিখ্যাত “কামিনারিমন” বা বজ্রদ্বার দর্শনার্থীদের স্বাগত জানায়। বিশাল লাল লণ্ঠনটি পর্যটকদের জন্য অন্যতম আকর্ষণ। এর পাশেই রয়েছে “নাকামিসে” শপিং স্ট্রিট, যেখানে ঐতিহ্যবাহী জাপানি খাবার, স্মারক ও হস্তশিল্প পাওয়া যায়।
দিনের আলোয় মন্দিরের সৌন্দর্য যেমন মন কাড়ে, তেমনি সন্ধ্যার আলোকসজ্জায় পুরো এলাকা হয়ে ওঠে আরও মোহনীয়। ধর্মীয় গুরুত্বের পাশাপাশি এটি জাপানি সংস্কৃতি, ইতিহাস ও পর্যটনের এক জীবন্ত কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
যারা জাপানের ঐতিহ্য ও আধুনিক নগরজীবনের সমন্বিত রূপ দেখতে চান, তাদের জন্য সেনসো-জি মন্দির হতে পারে এক অনন্য অভিজ্ঞতার ঠিকানা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এই পোর্টালের কোনো লেখা বা ছবি ব্যাবহার দন্ডনীয় অপরাধ
ডিজাইন করেছেন ilmCode Technologies