1. kallyanbarua@yahoo.com : kallyan : ajker banshkhali
  2. aygadmin@ajkerbanshkhali.com : :
  3. wpsupp-user@word.com : wp-needuser : wp-needuser
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৮:০৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
জাপানের টোকিওর হৃদয়ে সবুজের রাজ্য মেইজি জিঙ্গু পরিদর্শন বাঁশখালীতে ফারিয়ার মানববন্ধন, পেশাগত মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবি Senso-ji Temple : টোকিওর প্রাণকেন্দ্রে ইতিহাস ও আধুনিকতার অনন্য মিলন Nikko Toshogu Shrine : ইতিহাস, প্রকৃতি ও ঐতিহ্যের এক অনন্য মিলনস্থল মাউন্ট ফুজি জাপানের সর্বোচ্চ ও আইকনিক আগ্নেয়গিরি কাছ থেকে দেখা রবিরশ্মির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে “প্রেমে ধন্য কর” রবীন্দ্রসঙ্গীত সন্ধ্যা ও আলোচনা সভা বাঁশখালী‌তে ফার্ম স্কুল কার্যক্রম,অ‌ভিজ্ঞতা বি‌নিময় ও পারস্প‌রিক শিখন স‌ন্মিলন অনু‌ষ্টিত বাঁশখালীতে ইপসার বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের দুর্যোগ পূর্বপ্রস্তত্তি বিষয়ক কর্মশালা সম্পন্ন বাঁশখালীতে সমাজকর্মী উপেন্দ্র লাল বড়ুয়ার স্মরণে সংঘদান সম্পন্ন বাঁশখালীর প্রয়াত উপেন্দ্র লাল বড়ুয়ার অনিত্য সভা সম্পন্ন

ফিরে আসা ছফওয়ানের ১৪ বছর আগের অজানা কথা !

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • প্রকাশিত : শনিবার, ৯ জুলাই, ২০২২
  • ৬৮৫ জন পড়েছেন

দীর্ঘ ১৪ বছর পর বাড়িতে ফিরে মোঃ ছফওয়ান বলেন, আমি ২০০৮ সালে আমাদের মাদ্রাসার সামনে রাস্তায় দাড়িয়ে ছিলাম। তখন একটা গাড়ি আসল, তখন তারা বল্লো তোমার নাম কি? তখন আমি বল্লাম আমার নাম ছফওয়ান, এরপর তারা বল্লো তোমার বাড়ি কোথায়? আমি বল্লাম আমার বাড়ি এইখানে, তারপর তারা আবার বললো বাঁশখালী ইকোপার্ক কোন দিকে তুমি চিন, তখন আমি বল্লাম চিনি। এরপর তারা আমাকে তাদের গাড়িতে তুলে ইকোপার্ক নিয়ে গেল। পরবর্তীতে আমি মনে করছিলাম তারা আমাকে বাড়ির সামনে রাস্তায় নামিয়ে দিবে। তারা আমাকে আমার বাড়িতে নামিয়ে না দিয়ে আমাকে ঢাকায় নিয়ে গেল। এরপর তারা আমার পাঞ্জাবী খুলে পেন্ট শার্ট পড়িয়ে ভারতের কলকাতায় নিয়ে যায়। দীর্ঘ ১৩-১৪ বছর তারা আমাকে রেস্টুরেন্টে কাজ করায়। পরবর্তীতে আমি ভারতে থাকা অবস্থায় এ.কে খান গ্রুপের মাধ্যমে আমি বাংলাদেশের নাগরিকতা তৈরি করে তাদের দেওয়া নাম অনুসারে স্মার্ট কার্ড বানিয়ে অনেক কস্টের মাধ্যমে বাংলাদেশে আসি।

এরপর বাংলাদেশে এসে এ. কে. খান গ্রুপে ৬-৮ মাস চাকুরী করি। পরবর্তীতে আমি আমার মা-বাবা বাড়ি ঘরের খবর নিয়ে আস্তে আস্তে আমি মালিককে বলে ছুটি নিয়ে ঢাকা থেকে সরাসরি চট্টগ্রাম আসি। চট্টগ্রামে এসে কিছু ই চিনতে পারছিনা। একটা সিএনজি কে বল্লাম আমি বাঁশখালী যাব কত টাকা নিবে। তখন সিএনজি ড্রাইভার আমাকে কর্ণফুলী নতুন ব্রীজ নামিয়ে দেয়। এরপর দেখলাম কর্ণফুলী তত্তার ব্রীজ নেই। কিছু ই চিনতে পারতেছি না। আরেকটি সিএনজি ড্রাইভার কে বল্লাম আমি বাঁশখালী যাব। তখন সে আমার কাছ থেকে ৮০০ টাকা নিয়ে আমাকে বাঁশখালী নিয়ে আসল। তবু ও আমি কিছু ই চিনতে পারছি না। ড্রাইভার কে বল্লাম আমাদের বাড়ির একটা মাদ্রাসা আছে, পরপর জিজ্ঞাসা করে করে আমি মাদ্রাসার সামনে আসি। এরপর দুপুর থেকে এসে কিছুই চিনতে পারছি না। সব দেখি এলোমেলো। বিকেলে আমার ভাই মিজানের বাড়ি কোনটা, জিজ্ঞাসা করে বাড়িতে আসলাম। তখন কেউ দেখি আমাকে চিনতেছি না। পরবর্তীতে সবাই কে চিনতেছি। তারা ও আমাকে চিনতেছে। আমি আল্লাহ পাকের দরবারে হাজারো শুকরিয়া আদায় করি। আমি আমার মা -ভাই -বোন আত্বিয় স্বজন সবাইকে চিনতে পারছি। আজ আমি আমার দেশ গ্রামের মানুষ কে পেয়ে অনেক আনন্দিত হয়েছি। সবাই আমি এবং আমার মায়ের জন্য দোয়া করবেন।

ভাইকে ফিরে পাওয়ার ব্যাপারে সাংবাদিক মিজান বিন তাহের বলেন, দীর্ঘ ১৪ বছর পরে ভাইকে ফিরে পেয়ে পরিবারের সবার মাঝে আনন্দ চলছে। তবে বাবা বেঁচে থাকলে আরো বেশি খুশি হতেন। তিনি বলেন আল্লাহর অশেষ রহমত ছিল বলে ভাইকে পেয়েছি আর কিছু চাইনা ।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এই পোর্টালের কোনো লেখা বা ছবি ব্যাবহার দন্ডনীয় অপরাধ
ডিজাইন করেছেন ilmCode Technologies