1. kallyanbarua@yahoo.com : kallyan : ajker banshkhali
  2. aygadmin@ajkerbanshkhali.com : :
  3. wpsupp-user@word.com : wp-needuser : wp-needuser
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
বাঁশখালী কেন্দ্রীয় শ্রী শ্রী অদ্বৈতানন্দ ঋষিমঠ ও মিশনের পক্ষ ত্রাণ বিতরণ বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে চতুষ্কোণ এর ঢেউটিন খাদ্য সহায়তা প্রদান বাঁশখালীতে বন্যা-পরবর্তী পানি নিষ্কাশন সচল রাখতে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান বাঁশখালীতে আঞ্জুমানে আশরাফিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান বাঁশখালী‌েতে চি‌কিৎসা ক‌্যাম্পে চি‌কিৎসা সেবা ও ঔষধ ‌পেল ৩ শতা‌ধিক বন‌্যা কব‌লিত জনগন বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন সামগ্রী বিতরণ ‘মঞ্জিল সংস্থা’র পাহাড়ধস ঝুঁকি মোকাবিলায় ১০০ পরিবারকে সেভ দ্য চিলড্রেন ও ইপসার আর্থিক সহায়তা বাঁশখালীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস’ উদযাপিত ইপসার কার্যক্রম পরিদর্শনে এনজিও বিষয়ক ব‍্যুরোর মহাপরিচালক ড: জকরিয়া বাঁশখালী গার্লস ডিগ্রি কলেজে বিদায় সংবর্ধনায় এন‌জিও ব্যুরোর মহাপ‌রিচালক ড.জক‌রিয়া

জাপানের টোকিওর হৃদয়ে সবুজের রাজ্য মেইজি জিঙ্গু পরিদর্শন

কল্যাণ বড়ুয়া,জাপান থেকে ফিরে
  • প্রকাশিত : সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
  • ৩৯১ জন পড়েছেন

জাপানের রাজধানী Tokyo-এর ব্যস্ত নগর জীবনের মাঝেই অবস্থিত বিশাল সবুজের এক শান্ত অভয়ারণ্য Meiji Shrine (মেইজি জিঙ্গু)। প্রায় ৭০ হেক্টর (১৭৫ একর) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই কৃত্রিম বনভূমি শহরের অন্যতম “অক্সিজেন ভান্ডার” হিসেবে পরিচিত।
এই বিশাল বনভূমিতে রয়েছে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি গাছ, যার মধ্যে পাইনসহ নানা প্রজাতির বৃক্ষ রয়েছে। অধিকাংশ গাছই অত্যন্ত সুউচ্চ—গড়ে ১৩০ থেকে ১৪০ ফুট বা তারও বেশি উচ্চতা বিশিষ্ট। সুউচ্চ গাছপালার ঘন ছায়া আর প্রাকৃতিক পরিবেশে প্রবেশ করলেই নগর জীবনের কোলাহল যেন মুহূর্তেই হারিয়ে যায়।
মেইজি জিঙ্গু অবস্থিত Harajuku এলাকা এবং Yoyogi Park-এর মাঝামাঝি স্থানে। প্রতিদিন হাজারো দেশি-বিদেশি দর্শনার্থী এখানে আসেন প্রকৃতির সান্নিধ্য উপভোগ এবং ধর্মীয় অনুভূতির টানে।
ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই শিন্তো মন্দিরটি ১৯২০ সালে নির্মিত হয় জাপানের সম্রাট Emperor Meiji এবং সম্রাজ্ঞী Empress Shoken-এর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে। মন্দিরের কেন্দ্রে অবস্থিত মূল উপাসনালয় শিন্তো ধর্মাবলম্বীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান।
তবে ইতিহাসের এক দুঃখজনক অধ্যায়ে, World War II-এর সময় অগ্নিবোমা হামলায় মন্দিরের অধিকাংশ স্থাপনা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরবর্তীতে সেগুলো পুনর্নির্মাণ করা হয়, যা আজও ঐতিহ্য ও স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।
গত ৭ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে এই মনোমুগ্ধকর বনভূমি ও পবিত্র মন্দির পরিদর্শনের সুযোগ হয়। প্রকৃতির নীরবতা, পাখির কলতান এবং আধ্যাত্মিক পরিবেশ মিলিয়ে স্থানটি এক অনন্য অনুভূতি তৈরি করে। শহরের কোলাহল থেকে মুক্তি পেতে এবং মানসিক প্রশান্তি খুঁজতে মেইজি জিঙ্গু নিঃসন্দেহে একটি আদর্শ গন্তব্য।
পর্যটকদের মতে, টোকিও ভ্রমণে মেইজি জিঙ্গু পরিদর্শন না করলে সেই ভ্রমণ যেন অসম্পূর্ণ থেকে যায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এই পোর্টালের কোনো লেখা বা ছবি ব্যাবহার দন্ডনীয় অপরাধ
ডিজাইন করেছেন ilmCode Technologies